Logo
প্রশ্ন: নামাযের সিজদায় কয়টি অঙ্গ মাটিতে রাখা ফরয?
জবাবদাতা: মাওলানা আবূ নছর মোহাম্মদ কুতুবুজ্জামান তাফাদার
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

প্রশ্ন: নামাযের সিজদায় কয়টি অঙ্গ মাটিতে রাখা ফরয?
জবাব: সিজদাহ অবস্থায় কপাল ও নাক মাটিতে লাগানো অপরিহার্য। এতদুভয়ের দ্বারা সিজদাহ পূর্ণ হয়ে যায়। এ সম্পর্কে ‘আল মাবসূত’ কিতাবে লিখেছেন:

وَيَسْجُدُ عَلَى جَبْهَتِهِ وَأَنْفِهِ وَاظَبَ عَلَى هَذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَفِيهِ تَمَامُ السُّجُودِ

-মুসল্লি তার কপাল ও নাকের উপর ভর করে সিজদাহ করবে। রাসূলুল্লাহ e সর্বদা এ নিয়মে সিজদাহ করতেন। আর এর মধ্যেই সিজদাহ পরিপূর্ণতা লাভ করে। (আল মাবসূত লিস সারাখশী, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৪)
উভয় হাতলী, হাটুদ্বয়, পদযুগল ইত্যাদি অঙ্গসমূহ সিজদাহকালীন সময়ে মাটিতে লাগানো সুন্নাত ও সিজদাহর সৌন্দর্য বৃদ্ধিকারী সহায়ক বিষয় হিসেবে পরিগণিত। হাদীস শরীফে এ সম্পর্কে এসেছে-

عَنْ العَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ المُطَّلِبِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: إِذَا سَجَدَ العَبْدُ سَجَدَ مَعَهُ سَبْعَةُ آرَابٍ: وَجْهُهُ، وَكَفَّاهُ، وَرُكْبَتَاهُ، وَقَدْمَاهُ

(সুনান তিরমিযী, হাদীস-২৭২)

প্রশ্ন: শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা ও গবেষণায় অভিজ্ঞতার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে থিসিস ও অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে বিদেশে অধ্যয়নরত অনেক শিক্ষার্থী, যেমন—বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা, পড়াশোনার পাশাপাশি আয়-রোজগারে ব্যস্ত থাকার কারণে নিজেরা এই কাজগুলো যথাযথভাবে করতে পারেন না। ফলে তারা নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে কিছু এজেন্সি বা ব্যক্তির সহায়তা নেন, যারা তাদের হয়ে থিসিস বা অ্যাসাইনমেন্ট লিখে দেয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে জানতে চাই: ১. এভাবে অ্যাসাইনমেন্ট বা থিসিস করিয়ে নেওয়া একজন শিক্ষার্থীর জন্য কতটুকু ন্যায়সঙ্গত? ২. টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়ে থিসিস বা অ্যাসাইনমেন্ট লেখা কি ইসলামে বৈধ? ৩. এটি কি হারাম উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত হবে?
ফেইসবুকে আমরা...