‘ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)’ এতটুকু পরিচিতিই যথেষ্ট। এই মুবারক অভিধাটি শ্রবণ মাত্র, উচ্চারণ মাত্র মানস-নেত্রে, মনের মুকুরে ভেসে ওঠে যে জ্যোতির্ময় অবয়ব-সুন্নতী লেবাসে ভূষিত, সবুজ পাগড়ি পরিহিত, প্রভাব বিস্তারী গৌরকান্তি,
হিজরী ৫ম শতকে ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা উন্নত শিখরে পৌঁছেছিল। ইসলামের বিশ^ময় বিকাশের যুগে ইমাম গাযযালী আভির্ভূত হন। তখন ইহুদী, খ্রিষ্টান ও নাস্তিকসহ ইসলাম বিদ্বেষী পণ্ডিত ও দার্শনিকগণ তাহাদ্দিয়াতে ইলমীতে বিভিন্ন
আল্লাহ তাআলা মানুষ সৃষ্টি করে তাদের হিদায়াতের জন্য অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। নবীদের দাওয়াতে প্রজ¦লিত হিদায়াতের প্রদীপ ঈসায়ী ষষ্ঠ শতাব্দীতে এসে নিষ্প্রভ হয়ে গিয়েছিল। মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত সরল পথ বাদ
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: “إنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إلَى اللهِ وَرَسُولِهِ
দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে তাফসীর: আরবী ভাষায় যে সকল হরফ রয়েছে ب (বা) তার মধ্যে হচ্ছে বিনম্র হরফ, যা দ্বারা নম্রতা প্রকাশ করা হয়। এ জন্য এ হরফ দ্বারা