প্রশ্ন: নামাযে হাত দিয়ে কয়বার চুলকালে নামায বাতিল হবে?
জবাব: নামাযের যেকোন রুকুনে কেহ ‘আমলে কাসীর’ করলে ফকীহগণের ঐক্যমতে নামায ফাসিদ হয়ে যায়। তবে আমলে কাসীর এর ব্যাখ্যায় বহু অভিমত রয়েছে। তন্মধ্যে একটি অভিমত হচ্ছে নামাযের অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোন কাজ কোন এক রুকুনে তিনবার বা ততোধিক করা। তাই তিনবার বা ততোধিক সংখ্যক চুলকানি কোন এক রুকুনে হলে ফুকাহাগণের অনেকের মতে নামায ফাসিদ হবে।
ثم اختلف المشايخ في الحد الفاصل بين العمل اليسير وبين العمل الكثير، بعضهم قالوا: العمل الكثير اشتمل على عدد الثلاث، واستدل هذا القائل بما روى الحسن عن أبي حنيفة إذا تروَّح المصلي بمروحة مرة أو مرتين لا تفسد صلاته، وإن زادت على ذلك فسدت صلاته
-কোন বিষয় আমলে কাসীর কিংবা তদপেক্ষা কম হওয়ার বিষয় নিরূপনে মনিষীগণের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলেছেন, কোন কাজ তিনবার হলে সেটা আমলে কাসীর হবে। এ বিষয়ে তাদের দলীল হচ্ছে- হাসান (র.) ইমাম আবূ হানীফা (র.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যদি কোন মুসল্লি নামাযে পাখা একবার কিংবা দুইবার ব্যবহার করে বাতাস গ্রহণ করে তাহলে তার নামায ফাসিদ হবে না, তবে যদি এর চেয়ে অধিক (তথা তিনবার) ব্যবহার করে তাহলে তার নামায ফাসিদ হবে। (আল মুহীতুল বুরহানী, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৯৫)

