রাসূলুল্লাহ e আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত, তিনি আদম সন্তানের সরদার। উম্মতের জ্ঞাতার্থে অহংকারের দায়মুক্তি ঘোষণা পূর্বক রাসূল e এই সম্মান ও শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিতেন। রাসূলে পাক e বলেছেন–
বাংলাদেশসহ প্রায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই সম্মানার্থে বা স্মরণার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভাস্কর্য নির্মাণ করার প্রবণতা রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এসব ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতির সামনে ফুলেল শ্রদ্ধা প্রদর্শন, নীরবতা পালন, আবার কখনো মুনাজাত
মহান রাব্বুল আলামীনের অসীম দয়া উম্মতে মুহাম্মদীর উপর। তারা দুনিয়াতে সর্বশেষ আগমন করলেও জান্নাতে প্রবেশ করবে সবার আগে। রাসূলুল্লাহ e বলেন, عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله
মেডিভেল ইন্ডিয়ায় মুঘল যুগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। অধিকাংশ মুঘল সম্রাট ছিলেন সেমি-লিবারেল, যারা ধর্মীয় অনুশাসনের তুলনায় রাজ্য পরিচালনা ও অন্তঃর্দ্বন্দ্বে বেশি সময় অতিবাহিত করেছেন। কেউ কেউ ধর্মীয় সংস্কার চালু
পৃথিবীব্যাপী ইসলামিক স্কলারদের মধ্যে যারা গণতন্ত্রকে হারাম বা কুফরী মনে করেন না, তারা সবাই এই যুক্তিই দেন যে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে ইসলামপন্থীরা ক্ষমতা অর্জন করবে এবং পরবর্তীতে তারা ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা
পৃথিবীতে আল্লাহ নানা ধরনের, নানা পেশার মানুষ সৃষ্টি করেছেন। সবার ভালো লাগাও সমান নয়। কারও কৃষিকাজ ভালো লাগে আবার কারও সেই কৃষিপণ্য নিয়ে ব্যবসা করতে ভালো লাগে। কেউ ঘরবাড়ি বানানোর
৬ষ্ঠ হিজরীতে মক্কার অদূরে হুদাইবিয়া নামক জায়গায় রাসূলুল্লাহ e ও মক্কাবাসীর মধ্যে একটি সন্ধি হয়। সন্ধির অন্যতম শর্ত ছিল, “মক্কা থেকে ইসলাম কবূল করে কেউ মদীনায় আসলে তাকে আবার মক্কায়
রাসূলুল্লাহ ইহজগত থেকে বিদায় নেওয়ার পর এই উম্মাতকে অনেক চড়াই-উতরাই পার করে আসতে হয়েছে। দুই-চারদিনের নয়;দেড় হাজারের বছরের ইতিহাস আমাদের। এই দীর্ঘ ইতিহাসে অপ্রতিরোধ্য বন্যার মতো এগিয়ে যাওয়া দিগবিজয়ী
আল্লাহ তাআলা নবী-রাসূলগণকে নির্বাচন করে নবুওয়াত-রিসালাতের দায়িত্ব অর্পণ করেন। তিনি তাদেরকে এই দায়িত্বের জন্য যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলেন। কোন মানুষ নিজের প্রচেষ্টায় নবুওয়াত-রিসালাতের যোগ্য হয়ে উঠতে পারে না। এগুলো অর্জনযোগ্য
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মের প্রাসঙ্গিকতা জাতিরাষ্ট্র হিসেবে এদেশের আত্মপ্রকশের বহু আগে থেকেই দৃশ্যমান ছিল। ব্রিটিশ ভারতে স্বাধীনতা সংগ্রামের সফল পরিণতি এসেছে ধর্মকে প্রধান পরিচয় হিসেবে ধারণ করে সংগ্রাম করা দুটি দল