Logo
প্রশ্ন : আযানে অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে নামাযের কোনো ক্ষতি হবে কি? ফাজরের আযানে ভুলবশত ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম’ ছেড়ে দিলে পুনরায় আযান দিতে হবে কি? জামাআতের পরে কেউ বললেন আযানে ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম’ বলা হয়নি এখন করণীয় কী?
জবাব দিচ্ছেন: মাওলানা আবু নছর মোহাম্মদ কুতুবুজ্জামান তাফাদার
  • ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

জবাব : আযানে অনিচ্ছাকৃত ভুল হলে যদিও নামাযের কোনো ক্ষতি হয়ন, তবে সঙ্গে সঙ্গে স্মরণ হলে কিংবা কেউ স্মরণ করালে যখন ভুল হয়েছে সেখান থেকে শুদ্ধ করে পরবর্তী অংশটুকু সঠিকভাবে আদায় করলেই চলবে। প্রথম থেকে দুহরানোর প্রয়োজন নেই। আর যদি ভুলের পর কোনো বাক্যালাপ হয়ে যায় তবে নতুন করে পুর্নবার আযান দেওয়া প্রয়োজন, যদি নামাযের ওয়াক্ত অবশিষ্ট থাকে। আর সে ওয়াক্তের ফরয নামায আদায় করে ফেললে কিংবা ওয়াক্ত অবিশষ্ট না থাকলে আযান দুহরানোর প্রয়োজন নেই।

‎ولو قدم فيهما مؤخرا أعاد ما قدم فقط (ولا يتكلم فيهما) أصلا ولو رد سلام، فإن تكلم استأنفه

(রদ্দুল মুহতার: ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৮৯)

প্রশ্নকারী: আশিকুর রহমান
হযরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল (এম.এ) মাদরাসা, সিলেট।

প্রশ্ন: শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা ও গবেষণায় অভিজ্ঞতার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে থিসিস ও অ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করতে সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে বিদেশে অধ্যয়নরত অনেক শিক্ষার্থী, যেমন—বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা, পড়াশোনার পাশাপাশি আয়-রোজগারে ব্যস্ত থাকার কারণে নিজেরা এই কাজগুলো যথাযথভাবে করতে পারেন না। ফলে তারা নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে কিছু এজেন্সি বা ব্যক্তির সহায়তা নেন, যারা তাদের হয়ে থিসিস বা অ্যাসাইনমেন্ট লিখে দেয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে জানতে চাই: ১. এভাবে অ্যাসাইনমেন্ট বা থিসিস করিয়ে নেওয়া একজন শিক্ষার্থীর জন্য কতটুকু ন্যায়সঙ্গত? ২. টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়ে থিসিস বা অ্যাসাইনমেন্ট লেখা কি ইসলামে বৈধ? ৩. এটি কি হারাম উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত হবে?
ফেইসবুকে আমরা...