1. redwan.iub@gmail.com : admin2021 :
  2. admin@parwana.net : Parwana Net : Parwana Net
  3. editor@parwana.net : Parwana Net : Parwana Net
Logo
আযানের গুরুত্ব ও ফযীলত
Reporter Name
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রশ্ন: আযানের গুরুত্ব ও ফযীলত সম্পর্কে জানতে চাই।

মো: আব্দুল আলীম
ভালকী, লালাবাজার, সিলেট

জবাব দিচ্ছেন-
মাওলানা আবূ নছর মোহাম্মদ কুতুবুজ্জামান তাফাদার
প্রিন্সিপাল ও খতীব, আল ইসলাহ ইসলামিক সেন্টার
মিশিগান, আমেরিকা।

জবাব: ইসলামের অন্যতম শিআর তথা সৌন্দর্য ও নিদর্শন হলো আযান। আযানের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ ও বড়ত্বের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়, পাশাপাশি ফরয নামাযের দিকে আহ্বান করা হয়। দৈনিক পাঁচবার আযানের সুমধুর তানে মুমিনের হৃদয়ে ঈমানের জোয়ার আসে, খোদাপ্রেমে সিক্ত হয় মুমিনের অন্তরাত্মা। মুসলিম সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় আযানের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। আযানের তাৎপর্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআন মাজীদে ইরশাদ করেন, وإذا ناديتم إلى الصلاة اتخذوها هزوا ولعبا ذلك بأنهم قوم لا يعقلون -আর যখন তোমরা নামাযের দিকে আহ্বান কর (আযান দাও), তখন তারা (কাফিররা) একে হাসি-তামাশা ও ক্রীড়া-কৌতুক হিসেবে গ্রহণ করে। এর কারণ হচ্ছে তারা এমন সম্প্রদায়, যাদের বুদ্ধি-বিবেক নেই। (সূরা মায়িদা, আয়াত-৫৮)
মহান আল্লাহ তাআলা এ সম্পর্কে আরও ইরশাদ করেন,
يا أيها الذين آمنوا إذا نودي للصلاة من يوم الجمعة فاسعوا إلى ذكر الله وذروا البيع ذلكم خير لكم إن كنتم تعلمون
-হে মুমিনগণ! যখন জুমুআর দিনে নামাযের জন্য আহ্বান করা হয় (আযান দেওয়া হয়), তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে (নামাযের দিকে) ধাবিত হও। আর ক্রয়-বিক্রয় বর্জন কর। এটাই তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা জানতে। (সূরা জুমুআহ, আয়াত-০৯)
হযরত আবূ হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যখন আযান দেওয়া হয়, তখন শয়তান বায়ু নির্গমন করতে করতে এত দূরে চলে যায় যে, যেখান থেকে আযান শোনা যায় না। (সহীহ বুখারী)
প্রিয়নবী (সা.) আরও ইরশাদ করেন, যখন নামাযের সময় হয়, আর তোমরা দুজন ব্যক্তি থাক, তাহলে তোমাদের থেকে একজন আযান ও ইকামাত দেবে এবং দুজনের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে। (সহীহ বুখারী)
যে ব্যক্তি আযান দেয়, শরীআতের পরিভাষায় তাকে মুআযযিন বলা হয়। আমাদের সমাজে কতিপয় মানুষ আযান দেওয়াকে নিচু কাজ মনে করে, অথচ আযান দেওয়া অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত একটি আমল। কিয়ামত দিবসে মুআযযিনগণ বিশেষ মর্যাদাবান হবেন। মুআযযিনের জন্য রয়েছে অফুরন্ত নিআমত, সুউচ্চ মর্যাদা ও জান্নাতের সুসংবাদ।
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ومن أحسن قولا ممن دعا إلى الله وعمل صالحا وقال إنني من المسلمين -তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা কার, যে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি একজন মুসলমান। (সূরা হা মীম সিজদাহ, আয়াত:৩৩)
সহীহ মুসলিমের হাদীসে এসেছে, রাসূলূল্লাহ ব ইরশাদ করেছেন, المؤذنون أطول الناس أعناقا يوم القيامة -মানুষের মধ্যে মুআযযিনগনের গর্দান কিয়ামত দিবসে সর্বাধিক লম্বা হবে। (باب فضل الأذان وهرب الشيطان عند سماعه)

ফেইসবুকে আমরা...