[গত ৩০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ইসরায়েলী দখলদার বাহিনীর বর্বর হামলায় শাহাদত বরণ করেন হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবূ উবায়দা। ২৯ ডিসেম্বর আল-কাসসাম ব্রিগেডের নতুন মুখপাত্র গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন কমান্ডারের
জানুয়ারি। ইংরেজি বর্ষপঞ্জিকা শুরু। শুরুর মাসে সমাপ্তি ঘটলো একটি জীবনের, একটি বিপ্লবের, একজন মহানায়কের। দিনটি ছিল বুধবার। ২০০৮ সালের ১৬ জানুয়ারি। ইন্তিকাল উত্তর তিনি যেমন আলোচনায় এসেছেন, ঠিক তেমন কাগজে
শরীফ ওসমান হাদীর আত্মত্যাগের খবর কারো অজানা নেই। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উঠে আসা এই তরুণ নেতা আততায়ীর গুলিতে শাহাদত বরণ করেন এই ডিসেম্বরে। ঢাকা-০৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী
ইসলামপূর্ব আরব ছিল অনিয়ম, অস্থিরতা ও নৈরাজ্যের এক কঠিন অধ্যায়। কোনো একক শাসন বা রাষ্ট্রব্যবস্থা ছিল না। ফলে কোনো সুসংগঠিত বিচারব্যবস্থাও গড়ে ওঠেনি। গোত্রই ছিল মানুষের পরিচয়, শক্তি ও নিরাপত্তা।
বিগত এক শতাব্দীতে আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ঘটনা ঘটেছিল সম্ভবত ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালে। ১৯৪৭ ছিল দুই শতাব্দীর ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে উপমহাদেশের আযাদীর উপলক্ষ্য। ’৪৭ উপমহাদেশের মানচিত্রে
মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে ফিতরাত তথা স্বভাবজাত কিছু বিষয়ের উপর সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ حَنِيفًا ۚ فِطْرَتَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا সুতরাং তুমি নিজ চেহারাকে
যাদুটোনা, বশীকরণ, বান মারা, তাবীয করা বা কুফরী শক্তি প্রয়োগ করাকে কালো যাদু বা ব্ল্যাক—মাজিক বলা হয়। এসব হচ্ছে শয়তানেরকাজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, আর সুলাইমানের রাজত্বেশয়তানরা যা আবৃত্তি করত, তারা তা অনুসরণ করেছে।আর সুলাইমান
রাসূলুল্লাহ e আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত, তিনি আদম সন্তানের সরদার। উম্মতের জ্ঞাতার্থে অহংকারের দায়মুক্তি ঘোষণা পূর্বক রাসূল e এই সম্মান ও শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিতেন। রাসূলে পাক e বলেছেন–
বাংলাদেশসহ প্রায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই সম্মানার্থে বা স্মরণার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভাস্কর্য নির্মাণ করার প্রবণতা রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এসব ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতির সামনে ফুলেল শ্রদ্ধা প্রদর্শন, নীরবতা পালন, আবার কখনো মুনাজাত
মহান রাব্বুল আলামীনের অসীম দয়া উম্মতে মুহাম্মদীর উপর। তারা দুনিয়াতে সর্বশেষ আগমন করলেও জান্নাতে প্রবেশ করবে সবার আগে। রাসূলুল্লাহ e বলেন, عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله