বিগত এক শতাব্দীতে আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ঘটনা ঘটেছিল সম্ভবত ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালে। ১৯৪৭ ছিল দুই শতাব্দীর ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে উপমহাদেশের আযাদীর উপলক্ষ্য। ’৪৭ উপমহাদেশের মানচিত্রে
মহান আল্লাহ তাআলা মানুষকে ফিতরাত তথা স্বভাবজাত কিছু বিষয়ের উপর সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, فَأَقِمْ وَجْهَكَ لِلدِّينِ حَنِيفًا ۚ فِطْرَتَ اللَّهِ الَّتِي فَطَرَ النَّاسَ عَلَيْهَا সুতরাং তুমি নিজ চেহারাকে
যাদুটোনা, বশীকরণ, বান মারা, তাবীয করা বা কুফরী শক্তি প্রয়োগ করাকে কালো যাদু বা ব্ল্যাক—মাজিক বলা হয়। এসব হচ্ছে শয়তানেরকাজ। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, আর সুলাইমানের রাজত্বেশয়তানরা যা আবৃত্তি করত, তারা তা অনুসরণ করেছে।আর সুলাইমান
রাসূলুল্লাহ e আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্মানিত, তিনি আদম সন্তানের সরদার। উম্মতের জ্ঞাতার্থে অহংকারের দায়মুক্তি ঘোষণা পূর্বক রাসূল e এই সম্মান ও শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিতেন। রাসূলে পাক e বলেছেন–
বাংলাদেশসহ প্রায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশেই সম্মানার্থে বা স্মরণার্থে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ভাস্কর্য নির্মাণ করার প্রবণতা রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে এসব ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতির সামনে ফুলেল শ্রদ্ধা প্রদর্শন, নীরবতা পালন, আবার কখনো মুনাজাত
মহান রাব্বুল আলামীনের অসীম দয়া উম্মতে মুহাম্মদীর উপর। তারা দুনিয়াতে সর্বশেষ আগমন করলেও জান্নাতে প্রবেশ করবে সবার আগে। রাসূলুল্লাহ e বলেন, عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله
মেডিভেল ইন্ডিয়ায় মুঘল যুগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। অধিকাংশ মুঘল সম্রাট ছিলেন সেমি-লিবারেল, যারা ধর্মীয় অনুশাসনের তুলনায় রাজ্য পরিচালনা ও অন্তঃর্দ্বন্দ্বে বেশি সময় অতিবাহিত করেছেন। কেউ কেউ ধর্মীয় সংস্কার চালু
পৃথিবীব্যাপী ইসলামিক স্কলারদের মধ্যে যারা গণতন্ত্রকে হারাম বা কুফরী মনে করেন না, তারা সবাই এই যুক্তিই দেন যে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে ইসলামপন্থীরা ক্ষমতা অর্জন করবে এবং পরবর্তীতে তারা ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা
পৃথিবীতে আল্লাহ নানা ধরনের, নানা পেশার মানুষ সৃষ্টি করেছেন। সবার ভালো লাগাও সমান নয়। কারও কৃষিকাজ ভালো লাগে আবার কারও সেই কৃষিপণ্য নিয়ে ব্যবসা করতে ভালো লাগে। কেউ ঘরবাড়ি বানানোর
৬ষ্ঠ হিজরীতে মক্কার অদূরে হুদাইবিয়া নামক জায়গায় রাসূলুল্লাহ e ও মক্কাবাসীর মধ্যে একটি সন্ধি হয়। সন্ধির অন্যতম শর্ত ছিল, “মক্কা থেকে ইসলাম কবূল করে কেউ মদীনায় আসলে তাকে আবার মক্কায়