ভ্রান্ত রাজনীতির হিংস্র ছোবল থেকে ছাত্রসমাজকে রক্ষা করা ও তাদেরকে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের মতাদর্শের আলোকে আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং অন্যায় ও অসত্যের বেড়াজাল ছিন্ন করে সত্য
[ফুতুহুল গাইব শাইখ আব্দুল কাদির জিলানী (র.) এর ৮০টি বক্তব্যের সংকলন। এগুলোর বিষয়বস্তু আল্লাহপ্রাপ্তির উপায়, পার্থিব জীবনের হাকীকত, শরীআত অনুযায়ী জীবনযাপনের গুরুত্ব, আল্লাহর ফয়সালায় আত্মসমর্পণ করা, তাওয়াক্কুল, খাওফ, রিদার মর্মার্থ,
উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা সিদ্দীকা (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার বেটা হুসাইন (রা.) ত্বিফ ভূমিতে (কারবালা) নিহত হবে এবং আমার পরে আমার উম্মত ফিতনায় নিক্ষিপ্ত
ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার মর্মান্তিক ঘটনায় শাহাদাত বরণ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন যা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এ প্রসঙ্গে দুটি হাদীস নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছে ইসলামী সনের প্রথম মাস মুহাররাম। মুহাররাম মাস আমাদের কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত: এটি আল্লাহ জাল্লা শানুহু ঘোষিত হারাম বা সম্মানিত মাস সমূহের একটি। কুরআন কারীমে এসেছে-
কুরবানীর ইতিহাস অনেক প্রাচীন। পৃথিবীতে মানুষের ইতিহাসের সূচনা থেকেই কুরবানীর ইতিহাসের সূচনা। কুরআনে কারীমেও সেদিকে ইঙ্গিত করে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, “প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি কুরবানীর বিধান রেখেছিলাম, যাতে তারা
কুরবানী শব্দের অর্থ ত্যাগ, উৎসর্গ, বিসর্জন, নৈকট্যলাভ ইত্যাদি। ফিকহের পরিভাষায় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষে নির্দিষ্ট পশু জবাই করাকে উদ্বহিয়্যাহ বা
হাদীস শরীফে জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিনের ইবাদত, রোযা রাখা, তাসবীহ-তাহলীলের অনেক ফদীলত বর্ণিত হয়েছে। কুরআন কারীমে আল্লাহ তাআলা এ দিনগুলোর শপথ নিয়েছেন, বেশি বেশি যিকর করতে নির্দেশ করেছেন। আমরা
মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কালামে মাজীদে বলেন, إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِى كِتٰبِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ -আল্লাহ যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিনের
ঈদুল ফিতর এর দিনের আমল আরবী عيد শব্দটি عود শব্দ থেকে এসেছে। যার অর্থ ফিরে আসা। যেহেতু এ দিনগুলো আনন্দের বার্তা নিয়ে ফিরে আসে এ কারণে এ দিনগুলোকে ঈদের দিন